Search Engine Optimization

SEO (Search Engine Optimization) মানে, আপনার ওয়েবসাইটা Search engine গুলোর কলাকৌশল উপযোগী করে গড়ে তোলা, যাতে কোন ক্রেতা বা সাধারন মানুষ Search engine-এ পণ্যটা খুঁজলে অতি সহজেই আপনার ওয়েবসাইটটাকে Search engine-এর প্রথম দিকেই পেয়ে যায়। ওয়েবসাইটের ক্রেতা বা দর্শক বৃদ্ধির কাজে SEO খুবই কার্যকরী অনন্য একটা পদ্ধতি। অনলাইন ব্যবহারকারীরা Google বা Bing-এর মত Search Engine ব্যবহার করেই লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইটের ভীড়ে (প্রতি দিন এই সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে) নিজের প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট বা পণ্য ও সেবা খুজে ব্যবহার করে।

SEO হলো প্রকৃত অর্থেই free, organic traffic বা বিপুল খরিদ্দারের কাছে বিনা খরচে প্রচার ব্যবস্থা। এতে নতুন নতুন খরিদ্দারের কাছে নিজের ওয়েবসাইটের পসরা নিয়ে সহজেই পৌছানো যায়।

কিছু তথ্য উপাত্ত:

  1. International Telecommunication Union (ITU)-এর মতে, এখন প্রায় ২০০ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। ধারনা করা হচ্ছে অচিরেই সংখ্যাটা হয়ে যাবে ২৭০ কোটি।
  2. ONS-এর গবেষণা বলে যে, ২০১০ সালের অগষ্ট মাসের গত ১২ মাসে অনলাইনে ৩১০ কোটি মানুষ কেনা কাটা করেছে।
  3. (UKOM)-এর মতে, অনলাইন ব্যবহারকারী যুক্তরাজ্যের প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ গড়ে প্রতি মাসে ২২ ঘন্টা ১৫ মিনিট সময় কাটায় ইন্টারনেটে।
  4. IMRG/Capgemini e-Retail Sales Index অনুযায়ী, শুধু ২০১১ অগষ্ট মাসেই যুক্তরাজ্যের মানুষজন, আকালের বাজারেও অনলাইনে ৫২০ কোটি পাউন্ড (US$ 787.65 কোটি) কেনাকাটা করেছে। গত বছর অগষ্ট মাসের চাইতে তা ১৪% বেশী
  5. Regus প্রমান করে দেখাচ্ছে যে যুক্তরাজ্যের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগেুলো তাদের ৪১% জন খরিদ্দার পাচ্ছে social media থেকে।
  6. বড় কথা, এই বিশাল লেনদেন আর ক্রেতাদের ৯৩%জন মানুষই search engine-এর চিনিয়ে দেওয় পথেই অনলাইন জীবন শুরু করেছে।

সূত্র: 10 Stats to Justify SEO

এখানের সব তথ্যই দেশের বাইরের। এ ব্যপারে দুটো কথা বলবার আছে, প্রথমত: দেশের মধ্যে হয়তো আনললাইন বাজার নিয়ে কোন প্রতিষ্ঠানই এমন গবেষনার কাজ করছে না; বা হয়তো করছে এই মুহূর্তে আমি তা জানি না। সেটা আমার অল্প জ্ঞাণের কারন হতে পারে। আর দ্বিতীয়ত: অনলাইন বাজার মানে বিশ্ব বাজার, অনেক পণ্যই নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যেই বেচাকেনা সীমাবদ্ধ রাখতে হয় তবুও যেকোন অঞ্চলের তথ্য জানা থাকলেও নিজের বাজারের অতীত বা ভবিতব্যের ধারনা পাওয়া যায়।

টুকিটাকি পরামর্শ:

  1. আপনার ওয়েবসাইটের প্রতিটা পেজের Title, URL আর descriptions-র optimize (অপ্টিমাইজ বা উপযোগী) করে তোলেন।

  2. Content, কন্টেন্ট , Content, inbound link বা Backlink হলো ওয়েবসাইটের SEO-র ক্ষেত্রে ভীষণ ভাবে উপযুক্ত এবং শক্তিশালী একটা পন্থা। অতএব খুবই প্রয়োজনিয় আর উপযোগী content বা বিষয়াদি লিখতে হবে প্রতিটা ওয়েব পেজে, যাতে লোকজনকে বার বার ফিরে ফিরে আসতে হয়।
  3. Blogging এর ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, SEO-র কাজে Blog-এর প্রতিটা পোস্টই এক একটা আলাদা আলাদা পেজ, এবং সেভাবেই সার্চ ইঞ্জিনে index হয়ে থাকে।Outbound Email
Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s